পাড়ায় লাগানো হয়েছে জায়ান্ট স্ক্রিন। আজ হতাশায়, টিভি বন্ধ করে দিয়েছিলাম অনেক আগেই। হঠাৎ দেখলাম পাড়ার মাঠ থেকে ঘন ঘন হাততালির আওয়াজ আসছে। গিয়ে দেখি জাদেজা একাই ম্যাচ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। গাদাগাদি ভিড়ে প্রায় সকলেই অপরিচিত।
বিদ্যুৎ গতিতে বল ছুটেছে বাউন্ডারির দিকে। পাশে বসে থাকা ছেলেটা নাচতে শুরু করলো। প্রতি ওভারেই প্রায় বাউন্ডারি, আর সেই ছেলের পাগল পারা নাচ। পরনে ছেঁড়া একটা শার্ট আর হাফ প্যান্ট। যাই হোক, একসময় জাদেজাকে ফিরে যেতে হলো প্যাভিলিয়নে। চারিদিকে নীরবতা। পাশে দেখি সেই ছেলে আর নেই। আমারও মন খারাপ হয়ে গেল। মাঠ ছেড়ে বেরোতে যাব, দেখি মাঠের পিছনে হাঁটু গেড়ে বসে আল্লাহর কাছে দোয়া করছে ওই ছেঁড়া জামা পরা ছেলেটাই। মনে হলো একবার ছেলেটার সাথে কথা বলে যায়, তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে গেলাম। স্ক্রিনের দিকে মুখ ঘুরতে দেখি ধোনিও হেঁটে চলেছেন প্যাভেলিয়নের দিকে। সকলের চোখে মুখে হতাশা। ওই ছেলেটির দিকে এগিয়ে গেলাম, ততক্ষণে ওর চোখে জল। কত আর বয়স হবে! বড়জোর চোদ্দ। জিজ্ঞেস করলাম নাম কি তোর? বলল মফিজুল। কথা বলে জানতে পারলাম, অনতিদূরেই একটি চায়ের দোকানে কাজ করে সে।
সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, পরেরবার নিশ্চয়ই আমরা জিতব।
মুখ ফিরিয়ে হাঁটা দিলাম। কয়েকদিন আগেই আমাদের দেশে নির্বাচন হয়েছে, এই মাঠেও সেই নির্বাচনের ছাপ এখনো লেগে আছে। চোখে পড়লো মোদিজীর বিশাল বড় একটা ছবি।
পরক্ষনেই মনে হল, ইস! খুব ভুল করে ফেললাম যে। মফিজুলকে সান্ত্বনা দেওয়া আমার ঠিক হয়নি। ওরা তো আমাদের দেশের কেউ নয়! খেলার মাঠে ও কি করছে? ও পাকিস্তানে নেই কেন! কিন্তু কি আশ্চর্য! ভারত হেরে গেলে ওরও কান্না পায়। ঠিক আমাদের মতোই!
বিদ্যুৎ গতিতে বল ছুটেছে বাউন্ডারির দিকে। পাশে বসে থাকা ছেলেটা নাচতে শুরু করলো। প্রতি ওভারেই প্রায় বাউন্ডারি, আর সেই ছেলের পাগল পারা নাচ। পরনে ছেঁড়া একটা শার্ট আর হাফ প্যান্ট। যাই হোক, একসময় জাদেজাকে ফিরে যেতে হলো প্যাভিলিয়নে। চারিদিকে নীরবতা। পাশে দেখি সেই ছেলে আর নেই। আমারও মন খারাপ হয়ে গেল। মাঠ ছেড়ে বেরোতে যাব, দেখি মাঠের পিছনে হাঁটু গেড়ে বসে আল্লাহর কাছে দোয়া করছে ওই ছেঁড়া জামা পরা ছেলেটাই। মনে হলো একবার ছেলেটার সাথে কথা বলে যায়, তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে গেলাম। স্ক্রিনের দিকে মুখ ঘুরতে দেখি ধোনিও হেঁটে চলেছেন প্যাভেলিয়নের দিকে। সকলের চোখে মুখে হতাশা। ওই ছেলেটির দিকে এগিয়ে গেলাম, ততক্ষণে ওর চোখে জল। কত আর বয়স হবে! বড়জোর চোদ্দ। জিজ্ঞেস করলাম নাম কি তোর? বলল মফিজুল। কথা বলে জানতে পারলাম, অনতিদূরেই একটি চায়ের দোকানে কাজ করে সে।
সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, পরেরবার নিশ্চয়ই আমরা জিতব।
মুখ ফিরিয়ে হাঁটা দিলাম। কয়েকদিন আগেই আমাদের দেশে নির্বাচন হয়েছে, এই মাঠেও সেই নির্বাচনের ছাপ এখনো লেগে আছে। চোখে পড়লো মোদিজীর বিশাল বড় একটা ছবি।
পরক্ষনেই মনে হল, ইস! খুব ভুল করে ফেললাম যে। মফিজুলকে সান্ত্বনা দেওয়া আমার ঠিক হয়নি। ওরা তো আমাদের দেশের কেউ নয়! খেলার মাঠে ও কি করছে? ও পাকিস্তানে নেই কেন! কিন্তু কি আশ্চর্য! ভারত হেরে গেলে ওরও কান্না পায়। ঠিক আমাদের মতোই!
No comments:
Post a Comment